তরুণ উদ্যোক্তাকে সর্বশান্ত করতে অযথা রাস্তা তৈরীর পাঁয়তারা এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

82

নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার ৩ নং চরক্লার্ক ইউনিয়নের দক্ষিণ চরক্লার্ক গ্রামের ফকির মার্কেট সংলগ্ন ২০০ গজ দক্ষিণ পাশে তরুণ মৎস্য ও পোল্ট্রি খামার উদ্যোক্তা মোঃ আবদুল্লার ছেলে জাবেদ (৩১) তার ৩ একর জমিতে মাছের প্রজেক্ট,পোল্ট্রি খামার গড়ে তুলেছেন। যার মধ্যে লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ ও পোল্ট্রি ফার্ম ডিম,লেয়ার বাচ্চা আছে।

প্রায় ২০ জন বেকার যুবকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে তার প্রতিষ্ঠানে, মৎস্য প্রোজেক্টের পশ্চিম পাশে ছিল একটি সাধারণ গ্রামীন রাস্তা এবং পশ্চিম দক্ষিণ পাশে পারভেজ নামের অন্য দ্ররিদ্র কৃষকের ফসলি আবাধ জমি, পারভেজের পাশবর্তী কিছু পরিবারের হাঁটা-চলার জন্য এই কুচক্রী মহল সংঘবদ্ধ হয়ে রাস্তা নির্মাণ করার জন্য ভুক্তভোগী জাবেদের প্রোজেক্টের হাজার টাকার বিভিন্ন প্রজাপতির ফলজ,বনজ,কাঠ গাছসহ ইত্যাদি। অবৈধ ড্রেজার(ভেকু) মিশিন দিয়ে অন্যায় ভাবে ৩০/১/২০২১ তরিখ শনিবার গভীর রাতে আধারে উলটে পেলে দেয় প্রজেক্টের বিতরে অনেক গাছ।

গাছের ডালপালা পৌঁছে গলে গ্যাসের পরিণতি হয় যারফলে লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে ভুক্তভোগী জাবেদ অভিযোগ করে জানান সংবাদকর্মীদের।

জাবেদ আরো জানান,আমি তাদেরকে ড্রেজার অবৈধ (ভেকু) মেশিন দিয়ে মাটি কাটার জন্য নিষেধ করলে ১/ জসিম সওদাগরের পুত্র শহিদুল ইসলাম (৩৩), ২/শফি আলমের পুত্র বেলাল(৩৭), ৩/ আবদুল ভাতেনের পুত্র নাছির উদ্দীন (৪০),৪/ ছেরাজুল হকের পুত্র জসিম উদ্দিন (৬০), তাদের নেতৃত্বে আরো অনেকে আমাকে মারধর করার হুমকি দেয় ও লাঞ্ছিত করে এবং আমিসহ আমার পরিবারের সবাইকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। ভুক্তভোগী জাবেদ গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে আলাপকালে বলেন, আমি এই মর্মে আইনের আশ্রয় চাই সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিকট সাংবাদিকের মাধ্যমে।

সরেজমিন গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে,অবৈধ ড্রেজার (ভেকু) মেশিন বন্দ করে দেয় চরজব্বার থানার অধিনে ৪ নং পুলিশ ফাঁড়ির এ,এস,আই হিমেল চাকমা ও এ,এস,আই সাইফুল ইসলাম।প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলে আরো জানা যায়, প্রজেক্টের পাশের গাছ ড্রেজার মিশিন দিয়ে জাবেদের প্রজেক্টে পেলে দেওয়াতে ভুক্তভোগীর লক্ষ্য টাকার মাছ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভুক্তভোগীরা সর্বপোরি বলেন, জানতে পারলাম বাশার চেয়ারম্যান রাস্তা করার জন্য
অনুমতি দেন ইউনিয়ন পরিষধ থেকে,যার ফলে আমার প্রজেক্টের লক্ষ টাকার মাছ গুলা মারা যাচ্ছে, তিনি আরো জানান আমার প্রজেক্টের সকল বিনিয়োগের অর্থ ব্যংকের ঋন নিয়ে চালাচ্ছি।

আমার মাছের এবং গাছের যদি কোন ক্ষতি হয় তহলে আমি পথে বসে যাবো,এই সকল বিষয় বাশার চেয়ারম্যানের নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে, তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন আমি সমাজের কল্যাণের জন্য গ্রামীন কাঁচা রাস্তা বাধার জন্য অনুমতি দিয়েছি,পরবর্তী যখন জানতে পারলাম অনেকের লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি হচ্ছে ততক্ষণিক আমি কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছি। ভুক্তভোগী জাবেদ বলেন, আমি আইনের আশ্রয় নিবো শুনে আমার প্রতি আরো বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে মেরে পেলার হুমকি ধুমকি দিচ্ছে,আমি প্রসাশনের মাধ্যমে আমার ক্ষতি পূরণ ও আমার জীবনের নিরাপত্তা চাই।

এ বিষয়ে চরজাব্বার থানার বর্তমান ভার প্রাপ্ত ওসি তদন্ত ইব্রাহিমকে কল করলে তিনি জানান আমি কাজের ঝামেলার জন্য ঘটনার স্থলে যাইতে পারিনি, ঘটনার স্থলে গিয়েছে হিমেল আর ছোনখোলার পাড়িথানার এস আই রুহুল আমিন, তাদের মধ্যে এস আই রুহুল আমিনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।